ভিয়েতনামে ফানট্যাপ গেমসের ভূমিকা বদল: শুধু গেম 출시 নয়
ভিয়েতনামের প্রকাশক ফানট্যাপ গেমস ২০১৫ সাল থেকে ৩৫০টিরও বেশি গেম 출시 ও সেবা দিয়েছে। কোম্পানিটি এখন কমপ্লায়েন্স, লোকালাইজেশন, পেমেন্ট, মার্কেটিং ও কমিউনিটি ম্যানেজমেন্টকে একীভূত করে গেমের সম্পূর্ণ লাইফসাইকেল পরিচালনার দিকে যাচ্ছে। ২০২৬ সালের ভিয়েতনাম গেম অ্যাওয়ার্ডসে শ্রেষ্ঠ প্রকাশক হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে ফানট্যাপ।
উৎস: GameLook
এই পাতায়
কী ঘটেছে
ভিয়েতনামের মোবাইল গেম প্রকাশক ফানট্যাপ গেমস (Funtap Games) ২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত। কোম্পানির প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, তারা এ পর্যন্ত ৩৫০টিরও বেশি গেম 출시 ও সেবা দিয়েছে, বিশ্বব্যাপী ৫ কোটির বেশি ব্যবহারকারীর নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে এবং মাসিক সক্রিয় ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ৬৩ লাখ।
২০২৬ সালের শুরুতে ভিয়েতনাম গেম অ্যাওয়ার্ডসে ফানট্যাপ গেমস ‘বর্ষসেরা অসাধারণ গেম প্রকাশক’ পুরস্কার পায়। একই অনুষ্ঠানে তাদের সহ-পরিচালিত Last War: Survival গেমটি ‘সবচেয়ে জনপ্রিয় গেম কমিউনিটি’ পুরস্কার জেতে।
কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ
ফানট্যাপের সাফল্য শুধু সংখ্যায় নয়, বরং স্থানীয় বাজারের জন্য তৈরি একটি পূর্ণাঙ্গ অপারেশন ব্যবস্থায়। কোম্পানি তাদের কাজকে পাঁচটি ভাগে ভাগ করেছে: কমপ্লায়েন্স ও 출시 লাইসেন্স, লোকালাইজেশন, স্থানীয় পেমেন্ট, মার্কেটিং এবং গ্রাহকসেবা।
ভিয়েতনামে 출시ের আগে নিয়মকানুন মেনে চলা জরুরি। ফানট্যাপের ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকের প্রকল্প তথ্য বলছে, প্রায় সব গেমকেই অতিরিক্ত নথি জমা দিতে হয়; ৩০ শতাংশ গেমের আর্ট, টেক্সট বা টেকনিক্যাল দিক বদলাতে হয়; ১০ শতাংশ প্রকল্পের জন্য আলাদা কমপ্লায়েন্স পরিকল্পনা লাগে।
লোকালাইজেশনও কেবল অনুবাদ নয়। নিকো পার্টনার্সের তথ্য অনুযায়ী, ৯১ শতাংশেরও বেশি ভিয়েতনামি গেমার নতুন গেম বাছাইয়ে লোকালাইজেশনের মানকে গুরুত্ব দেন, যা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার গড় ৮৭ শতাংশের চেয়ে বেশি।
পেমেন্ট ব্যবস্থাও গুরুত্বপূর্ণ। ভিয়েতনামে ই-ওয়ালেট জনপ্রিয়; সমীক্ষা বলছে, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ৭৫ শতাংশেরও বেশি গেমার ই-ওয়ালেটে পেমেন্ট করেন এবং ভিয়েতনামে ই-ওয়ালেটে লেনদেনের পরিমাণ প্রায় ৪১ শতাংশ।
এরপর কী দেখবেন
ফানট্যাপ এখন শুধু বিদেশি গেম ভিয়েতনামে আনার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। ২০২৬ সালের মার্চে কোরিয়ার Com2uS Holdings-এর সঙ্গে стратегической চুক্তি করে তারা ছয়টি গেম ভিয়েতনামে আনার পরিকল্পনা করেছে; প্রথম গেম Soul Strike। চুক্তিতে শুধু প্রকাশনা নয়, গেমের কৌশল, বাণিজ্যিকীকরণ, লোকালাইজেশন, মার্কেটিং ও গ্রাহকসেবাও অন্তর্ভুক্ত।
পাশাপাশি ফানট্যাপ স্থানীয় ডেভেলপমেন্ট স্টুডিওতে বিনিয়োগ ও সহায়তা দিচ্ছে। তবে প্রকাশনার অভিজ্ঞতা থেকে ডেভেলপমেন্ট সক্ষমতা তৈরি করা সহজ নয়; শিল্পে সফল ও ব্যর্থ উদাহরণ দুটোই আছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ভিয়েতনামের বাজারে সফল হতে চাইলে বিদেশি ডেভেলপারদের উচিত স্থানীয় অংশীদারের কমপ্লায়েন্স, পেমেন্ট ও কমিউনিটি পরিচালনার সক্ষমতা যাচাই করা। শুধু ডাউনলোড সংখ্যা বা বিজ্ঞাপন খরচ দেখে সিদ্ধান্ত নিলে গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো বাদ পড়ে যাবে।